NIJHUM RATER DAAK BUNGLOW – Horror Story Animation
সতর্কবার্তা: এই গল্পটি শুধুমাত্র বিনোদনের উদ্দেশ্যে তৈরি কাল্পনিক ভূত ও ভৌতিক রোমাঞ্চকর কাহিনী। কাল্পনিক গল্পের খাতিরে সামান্য হরর উপাদান রয়েছে।
একটা বাস চলেছে রাস্তা ধরে। এই বাসে অনেক লোক বসে আছে। কেউ বসে আছে, কেউ জানলা দিয়ে বাইরে তাকিয়েছে। এমন সময় একটা লোক হঠাৎ কিছু একটা চুরি গেছে বলে চিৎকার করে উঠলো, বাসের সবাই তার দিকে তাকিয়ে নানান কথা জিজ্ঞেস করতে লাগলো।
এই গল্পটা আপাতদৃষ্টিতে একটা চোরের গল্প মনে হলেও গল্পটা কিন্তু ঠিক তা নয়, এ গল্প হলো ভয়ানক এক লোভের গল্প—যে লোভের কারণে দুজন যুবকের কী ভয়ানক পরিণতি হলো তা নিয়ে।
বাসের সেই দুজন যুবক যখন সেই লোকটির সোনার চেন ছিনিয়ে নিয়ে নেমে গেল, তখন রাত অনেক হয়েছে। বাসটা দাঁড়িয়ে ছিল একটা জঙ্গলের ধারে। এই জঙ্গলটা নিয়ে অনেক রকম গল্প শোনা যায়। লোকমুখে শোনা যায় এই জঙ্গলে যে একবার ঢোকে, সে আর ফেরত আসে না।
সব কথা জানা সত্ত্বেও সেই যুবক দুটি এবং তাদের ধাওয়া করতে থাকা লোকেরা জঙ্গলে ঢুকে এদিক-ওদিক ছড়িয়ে পড়ে। যে লোকটির সোনার চেইন চুরি হয়েছিল তার গরজ সবথেকে বেশি, লোকটি গলা ফাটিয়ে সেই যুবকদের ডাকতে থাকে। এরপরই ঘটে সেই ভয়ানক ঘটনা! কোনো এক অশরীরী এসে ঝাঁপিয়ে পড়ে লোকটির ওপর, লোকটির চিৎকার ছড়িয়ে যায় সারা জঙ্গলে!!
সেই যুবক দুটি ততক্ষণে গিয়ে পৌঁছেছিল জঙ্গলের মধ্যে একটা ভাঙা বাড়িতে। সে বাড়িতে এক থুরথুরে বুড়ি হামানদিস্তায় কী যেন গুঁড়ো করছে!! যুবক দুটি বুড়িটাকে দেখে বেশ অবাক হয়, তারা ভাবতেও পারে না এই বাড়ি এবং এই বাড়ির সামনে বসে থাকা বুড়ি কী ভয়ানক এক চক্রান্তের সূত্রপাত!
যুবক দুটি বুড়ির সাথে বাড়ির ভেতর যায়, এরপরই ওদের জীবনে নেমে আসে এক ভয়ানক অভিশাপ। বুড়ি কোনো সাধারণ মানুষ নয়, সে এক অশুভ ছায়া! বহুকাল আগে থেকে এই ছায়া ঘাঁটি গেড়েছে এই ভাঙা বাড়িতে। বুড়ির মুখেই ওরা জানতে পারে এই বাড়ি কোনো এককালে ডাক বাংলো ছিল। বুড়ি আর তার ছেলে এই ডাক বাংলো আর তার আশপাশের গ্রাম সম্পূর্ণ ধ্বংস করে এখন জঙ্গলের ভেতরে যারা প্রবেশ করে তাদের শিকার করে।
এরপরে কী হলো যুবকদের সাথে, জানতে হলে দেখতে হবে “নিঝুম রাতের ডাক বাংলো”—শুধুমাত্র যক্ষ-তে।