Skip to main content

Jokkho

NIJHUM BHOYER AK RAAT – ANIMATED HORROR STORY

সতর্কবার্তা: এই গল্পটি শুধুমাত্র বিনোদনের উদ্দেশ্যে তৈরি কাল্পনিক ভূত ও ভৌতিক রোমাঞ্চকর কাহিনী। কাল্পনিক গল্পের খাতিরে সামান্য হরর উপাদান রয়েছে।

মুদিখানার দোকানে যদি ভূত আসে কী করবেন!! তাকে জিনিস বেচবেন, নাকি তার হাত থেকে পালাবেন!! বেশ মজার কথা না? শুনতে যত মজা লাগছে, আদতে কিন্তু ব্যাপারটা তত মজার নয়। চলুন সেরকমই একটা গল্প আপনাদের দেখাই।

এক সন্ধ্যাবেলা পাড়ার মুদিখানা দোকানে একটা লোক এসে হাজির হলো। রতন লোকটাকে দেখে বেশ অবাক হলো, বয়স্ক লোক কিন্তু কী একটা আছে লোকটার চাহনির মধ্যে—শরীরের রক্ত হিম হয়ে যায়! লোকটা রতনকে একটা লম্বা লিস্ট ধরিয়ে দিয়ে চলে গেল সেখান থেকে। রতনের দোকানে কাজ করা ছেলেটিকে রতন পাঠিয়ে দিয়েছিল সেই লোকটির বাড়ি। ছেলেটা খুবই ফাঁকিবাজ, রতনের মনে হয় এই ছেলেটার নিশ্চয়ই কোনো আলাদা ষড়যন্ত্র আছে!

ছেলেটা লোকটির বাড়ি গিয়ে বেশ অবাক হয়—বিশাল বাড়ি! এই বাড়িটা এলাকার ‘ভূতের বাড়ি’ নামে পরিচিত। এই বাড়িতে বহুকাল কেউ ছিল না, হঠাৎ এই লোকটা বাড়িটা কিনে একেবারে জেঁকে বসেছে!

ছেলেটা লোকটার বাড়ির ভেতর অনেক কিছুই দেখেছিল, সাথে তার চোখে পড়েছিল একটা বস্তা! বস্তাটা একটু একটু নড়ছিল! কী আছে ওই বস্তায়? ছেলেটি সারা বাড়ি ঘুরে যেসব জিনিস দেখেছিল সবই দামি।

এই গল্পের মোড় এরপরই ঘুরে যায়। ছেলেটার মূল কাজ চুরি করা! রতনের দোকানে কর্মচারী হিসেবে সে থাকলেও তার মূল উদ্দেশ্য এলাকা থেকে যত বড় চুরি করা যায়।

রাত নামতেই ছেলেটি তার সাগরেদকে নিয়ে হাজির হয় সেই বাড়ির কাছে। বাড়িতে তখন মৃত্যুর নিস্তব্ধতা!! ছেলেটি সাগরেদকে নিয়ে বাড়ির ভেতর ঢুকে দেখে বাড়ির ভেতর কেউ নেই, শুধু সেই লোকটা একটা সোফার ওপর নির্জীব হয়ে বসে আছে!

এইতো সুযোগ! ছেলেটা আর তার সাগরেদ নিজেদের ব্যাগে জিনিসপত্র ভরতে শুরু করে। এরপরই এক কাণ্ড ঘটে! পাড়ার পাগল একটা লোক কোথায় ছিল বাড়ির মধ্যে কে জানে!! ঝাঁপিয়ে পড়ে ছেলেটার ওপর!!

ওদের যখন সংজ্ঞা ফেরে, দেখে সেই লোকটা আর পাড়ার পাগল ওদের বেঁধে নিজেদের মধ্যে কী কথা আলোচনা করছে!! কে এই লোক!! পাগলটাই বা অমনভাবে আক্রমণ করলো কেন!! কী এই রহস্য!!

উত্তর আছে শুধুমাত্র “নিঝুম ভয়ের এক রাত”—এই গল্পে!!!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!