Skip to main content

Jokkho

Narayangarh er Kalo Chhaya


রাজকীয় জমিদার আমলের পটভূমিতে রচিত ‘নারায়ণগড়ের কালো ছায়া’ কালো জাদু ও প্রাচীন অভিশাপের এক গা ছমছমে ভৌতিক গল্প। কাহিনীর সূচনা হয় নারায়ণগড়ের দয়ালু জমিদারকে দিয়ে, যিনি একদিন বাড়ি ফেরার পথে এক অসহায় ফুটফুটে মেয়েকে দেখতে পান। পিতৃস্নেহে অন্ধ হয়ে তিনি তাকে পরম আদরে নিজের রাজপ্রাসাদে নিয়ে আসেন।
কিন্তু মেয়েটি পা রাখার পর থেকেই এস্টেটে ঘটতে শুরু করে পরপর অলৌকিক ও ভয়ঙ্কর সব ঘটনা। জমিদার গিন্নি এক অতিপ্রাকৃতিক ও হিংস্র অশুভ শক্তির দ্বারা ভরপ্রাপ্ত বা অবশ হন। তিনি রাজপ্রাসাদের রক্ষীকে নৃশংসভাবে হত্যা করেন, গভীর রাতে অট্টহাসি হেসে ঘুটঘুঁটে অন্ধকারে গায়েব হয়ে যান এবং ভোরের আলো ফুটতেই শরীরে এক হাড়হিম করা অদ্ভুত বিকৃতি নিয়ে ফিরে আসেন।
রহস্য আরও ঘনীভূত হয় যখন জমিদারের ছেলে হিমালয় থেকে তন্ত্রসাধনা ও অলৌকিক বিদ্যায় পারদর্শী হয়ে রাজবাড়িতে ফিরে আসে। পরিবারকে এক অন্ধকার অভিশাপের কবলে পড়তে দেখে সে বুঝতে পারে মূল সমস্যাটি কোথায়। অনুসন্ধান করতে গিয়ে সে জানতে পারে সেই রহস্যময় মেয়েটির আসল সত্য, যে ততক্ষণে হাওয়ায় মিলিয়ে গেছে।
অবশেষে মায়ের শরীর থেকে সেই শক্তিশালী রাক্ষসী বা অশুভ প্রেতাত্মাকে বিতাড়িত করতে জমিদার-পুত্র এক চূড়ান্ত ও পবিত্র তন্ত্র-অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। প্রাচীন লোকগাথা, অলৌকিক রহস্য এবং শিহরণ জাগানো মোড়ে ভরপুর এই গল্পটি ভৌতিক ও রহস্য গল্পের পাঠকদের জন্য এক রোমাঞ্চকর অনুভূতি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!