Skip to main content

Jokkho

JHORER RATER BASH BAGAN – Bengali Horror Story

সতর্কবার্তা: এই গল্পটি শুধুমাত্র বিনোদনের উদ্দেশ্যে তৈরি একটি কাল্পনিক ভৌতিক ও কৌতুকপূর্ণ কাহিনী। গল্পের সকল চরিত্র, স্থান ও ঘটনা সম্পূর্ণ কাল্পনিক।

কালবৈশাখীর ঝড় ও বাঁশবাগানে ভৃত্যের খোঁজ

প্রকৃতি তখন চরম বৈরী। কালবৈশাখীর এক মাতাল করা ঝড় আর মুষলধারে বৃষ্টির তাণ্ডবে চারপাশ একদম অন্ধকার হয়ে রয়েছে। সেই সাথে তীব্র বাতাসের শোঁ শোঁ শব্দ আর বাঁশঝাড়ের পাতার মমর শব্দ মিলে মিশে এক অদ্ভুত ও গা ছমছমে পরিবেশের সৃষ্টি করেছে। এমনই এক ভয়ঙ্কর আবহাওয়ায় হাতের একটি পুরোনো টর্চলাইট জ্বালিয়ে গ্রামের এক জমিদার বাবু বা অবস্থাপন্ন গৃহকর্তা একা একা হেঁটে চলেছেন সেই ভুতুড়ে বাঁশবাগানের গভীর অন্দরে। তার মনে প্রবল উদ্বেগ, কারণ তার অতি বিশ্বস্ত এবং গাবদুষ গুবদুষ ভৃত্যটি এতক্ষণ ধরে নিখोज! বাঁশবাগানের ভেজা কর্দমাক্ত পথ ধরে এদিক-ওদিক খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে হঠাৎ করেই সে দেখতে পায়, ভৃত্যটি ভয়ে কুঁকড়ে একটি ঝাড়ের নিচে দাঁড়িয়ে আছে। তাকে ধমক দিতে দিতে এবং বকাঝকা করতে করতে গৃহকর্তা সাথে নিয়ে বাড়ির দিকে রওনা হন। হাঁটার সময় কৌতূহলবশত তিনি ভৃত্যকে জিজ্ঞেস করেন, “আচ্ছা রে, এই বাঁশবাগানটা যারা কেনার কথা বলছিলে এবং আজ দেখতে আসার কথা ছিল, তারা কি এই বৃষ্টির মধ্যেই আসবে নাকি?” উত্তরে ভৃত্য ভয়ে ভয়ে থরথর করে কাঁপতে কাঁপতে বলে, “আজ্ঞে হ্যাঁ স্যার, আজকেই তো কথা পাকা করা ছিল, ঝড়-বৃষ্টি যাই হোক তাদের আসতেই হবে!”

ক্রেতাদের আগমন ও রহস্যময় ইশারা

কথাগুলো বলতে বলতে তারা যখন বাড়ির কাছাকাছি পৌঁছানোর চেষ্টা করছে, ঠিক তখনই আকাশ ভেঙে যেন আরও ভারী বর্ষণ শুরু হলো। আর ঠিক সেই মুহূর্তে বাঁশবাগানের পিচ্ছিল ও অন্ধকার রাস্তা দিয়ে দুজন অচেনা ক্রেতা এসে হাজির হলো। তারা মূলত এই লোভনীয় বাঁশবাগানটি কেনার উদ্দেশ্যেই জমি দেখতে এসেছে। কিন্তু মুশকিল হলো, রাতের এই অন্ধকারের মাঝে বৃষ্টির ঝাপটায় তারা প্রধান রাস্তা হারিয়ে সোজা বাঁশবাগানের ভেতরে ঢুকে পড়েছে। এমন সময় তারা লক্ষ্য করে, বাঁশবাগানের ঠিক গভীর থেকে একটা অদ্ভুত লোক টর্চের আলো জ্বেলে বা হাত নেড়ে তাদের যেন অন্ধকারের আরও ভেতরে ডেকে নিয়ে যাচ্ছে। বৃষ্টিতে ভিজে প্যাকপ্যাক করতে করতে ক্রেতা দুজন সরল বিশ্বাসে সেই লোকটার পেছন পেছন কাদা ভেঙে হাঁটতে শুরু করে।

বাঁশবাগানের ভূতেদের আসর ও মজার কাণ্ডকারখানা

কিছুদূর হাঁটার পর ওই ক্রেতারা যখন বুঝতে পারে যে লোকটা তাদের সোজা কোনো অচেনা এবং ভয়ংকর জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে, ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে! তারা হতবাক হয়ে আবিষ্কার করে, যে লোকটা তাদের ডেকে এনেছে সে আসলে সাধারণ কোনো মানুষ নয়—সে হলো এই বাঁশবাগানের পাত্তারি গোটানো এক পাকা পোক্ত ভূত! শুধু তাই নয়, তারা আরও দেখতে পায় যে এই বাঁশবাগানটি আসলে কোনো সাধারণ মানুষের সম্পত্তি বা বাগান নয়; এটি হলো হরেক রকমের ভূতেদের এক জমজমাট আড্ডাখানা! সেখানে তাকালেই দেখা যায় নানান আকৃতির ভূতের এলাহি কাণ্ড—কেউ লম্বাটে তালগাছ সমান লম্বা ভূত, কেউ বা গোলগাল চর্বিযুক্ত মিশো ভূত, আবার কেউ খাটো বা ন্যাড়া মাথার খুদে ভূত। ভূতগুলো তাদের কোনো বড় ক্ষতি না করে উল্টো নানা অদ্ভুত কৌতুক, ভয়ের মশকরা এবং হাসির খোরাক জোগাতে শুরু করে। একদিকে যেমন বুক কেঁপে ওঠে ভয়ে, অন্যদিকে আবার ভূতেদের এমন অদ্ভুত কাণ্ডকারখানা দেখে পেটে খিল ধরে হাসতেও হয়!

কেন দেখবেন ও পড়বেন এই গল্পটি?

  • ভয় ও হাসির অপূর্ব মিশ্রণ: হরর জেনারের পাশাপাশি ভরপুর কমেডি ও বিনোদনের এক চমৎকার মিশ্রণ যা মন ভালো করে দেবে।
  • গ্রামীণ বাঁশবাগানের আবহ: কালবৈশাখীর ঝড়, বৃষ্টি আর বাঁশঝাড়ের পাতার শব্দের নিখুঁত অ্যানিমেশন এবং সাউন্ড ইফেক্ট।
  • রকমারি ভূত: মিশো ভূত থেকে শুরু করে লম্বা-খাটো নানান পদের ভূতের মজার আড্ডা ও তাদের খুনসুটি।

সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

১. এই গল্পটি কি শুধু ভয়ের নাকি মজারও?

উত্তর: এটি মূলত হরর-কমেডি ঘরানার গল্প, যেখানে ভয়ের সাথে भरपूर হাসির খোরাক রয়েছে।

২. গল্পটি কোথায় দেখতে পাবো?

উত্তর: আমাদের যক্ষ (Jokkho) ওয়েবসাইটে আকর্ষণীয় অ্যানিমেশন ও সাউন্ড এফেক্টসহ এটি উপভোগ করতে পারবেন।

ঝড়ের রাতের এই অদ্ভুত ভূতুড়ে আড্ডা এবং মজার কাহিনী উপভোগ করতে এখনই ভিজিট করুন যক্ষ-তে! গল্পটি কেমন লাগলো, কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!