Jhamri Station e Koyek Raat – Train Station Horror Story
সতর্কবার্তা: এই গল্পটি শুধুমাত্র বিনোদনের উদ্দেশ্যে তৈরি কাল্পনিক ভূত ও ভৌতিক রোমাঞ্চকর কাহিনী। কাল্পনিক গল্পের খাতিরে সামান্য হরর উপাদান রয়েছে।
বাংলা আর বিহারের মাঝে একটা নামহীন নির্জন স্টেশন পড়ে, যার নাম ঝামরি!! দিন হোক বা রাত, ঝামরি একবারে নিঝুম নিরালায় ওত পেতে থাকা আদিম জীবের মতো বসে থাকে সব সময়।
ঝামরিতে সারাদিনে কোনো প্যাসেঞ্জার বা লোকাল ট্রেন যাতায়াত করে না, এটা মাল গাড়ির জন্যই যেন বিশেষ করে তৈরি। এই ঝামরিতেই সদ্য বদলি হয়ে এসেছেন নিবারণবাবু, স্টেশন মাস্টার তিনি। সারাদিনে হাতে গোনা ট্রেন যায় আসে, কখনও সখনও কেউ কেউ আসে ভুলবশতই এসে পড়ে এই ঝামরিতে।
সুমন নামলো মালগাড়ি থেকে, নিবারণবাবু তাকে দেখে যেন ধরে প্রাণ পেলেন, তিনি এগিয়ে গিয়ে দু-এক কথা বললেন, কথায় কথায় তাকে জানালেন, এই ঝামরি থেকে মাল গাড়ির ওয়াগন ভেঙে জিনিসপত্র চুরি হচ্ছে কদিন ধরে। স্টেশনে নিবারণবাবু ছাড়াও আরও দুজন কর্মচারী আছে, দুজনেই দেহাতি আর কেমন যেন!!
নিবারণবাবু আরও একটা জিনিস এই ঝামরি স্টেশনে খেয়াল করেছেন, হেঁসো পাগলা নামের একটা লোক এই স্টেশনে পড়ে থাকতো, সেই লোকটাও এখন স্টেশনে নেই!! সব ব্যাপারটাই যেন বড্ড গোলমেলে আর অদ্ভুত।
এমনি এক রাতে একটা শব্দ শুনে ঘুম ভাঙে নিবারণবাবুর, কি হয়েছে না বুঝেই তিনি এগিয়ে যান মালগাড়ি যেখানে স্টেশনে দাঁড়িয়ে আছে সেখানে!!
মালগাড়ির কাছে গিয়ে যে কাণ্ড তার চোখে পড়ে, তাতে তার হতভম্ব ভাব হয়ে যায়!! সেই দুজন লোক মালগাড়ির ওয়াগন ভেঙে মালপত্র বের করছে, ডাকাতি!! এরা ডাকাত, তারই নাকের নিচে এরা এতদিন ধরে লুকিয়ে ছিল, কি সাংঘাতিক!!
এমন সময় মাথায় একটা ঘা পড়ে নিবারণবাবুর, তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন, সেই রাতে এরপর ঘটে চলে এক নারকীয় ঘটনা!! কে বাঁচাল নিবারণবাবুকে!! কোথায় গেল হেঁসো পাগলা, কে বাঁচাবে তাকে এই ডাকাতদের হাত থেকে!!
কি এমন ঘটেছে এই ঝামরি স্টেশনে, যে নিঝুম হয়ে থাকে এই স্টেশন সব সময়!! কেন এই গল্পের নাম “ঝামরি স্টেশনে কয়েক রাত”! জানতে হলে দেখে ফেলুন ওপরের গল্পটি।