Skip to main content

Jokkho

Ganga Ghat Ghost Story: The Haunting of Raibari Ghat


এই গল্প বা ভিডিওটি সম্পূর্ণরূপে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য-

কলকাতার চাকুরিজীবী অধীরচন্দ্র সাপুই গ্রামের বাড়ি বাঁশবেড়িয়ায় ফিরে বন্ধুদের আড্ডায় রায়বাড়ির ভুতুড়ে গল্প শোনেন। স্থানীয়দের বিশ্বাস, প্রায় পৌনে দু’শো বছর আগে ইংরেজ আমলে কুখ্যাত কালী ডাকাত ও তার দলবলকে পুলিশ এই রায়বাড়ির গঙ্গার ঘাটেই গুলি করে মেরেছিল। এরপর থেকেই সেখানে অতৃপ্ত আত্মার উপস্থিতি অনুভূত হয়। যুক্তিবাদী অধীরবাবু ভূতে বিশ্বাস না করে রায়বাড়ির গঙ্গার ঘাটে একা এক রাত কাটিয়ে ভূত নেই প্রমাণ করার বাজি ধরেন।

বাজি জেতার উদ্দেশ্যে এক সন্ধ্যায় তিনি হ্যারিকেন ও খবরের কাগজ নিয়ে পরিত্যক্ত ঘাটে গিয়ে বসেন। গভীর রাতে পরিবেশ হঠাৎ নিস্তব্ধ হয়ে গেলে তিনি এক অদ্ভুত দৃশ্য দেখতে পান—বল্লম হাতে দাঁড়িয়ে থাকা এক ব্যক্তির শরীরে ছুরি বসিয়ে দেয় ঘাট থেকে উঠে আসা এক বিভৎস চেহারার লোক, যার বুকে ছিল গুলির ক্ষত।

ভয়ে চিৎকার করে উঠলে সেই রক্তমাখা ছুরির অধিকারী ব্যক্তিটি অধীরবাবুর মুখোমুখি হয়। কথোপকথনে প্রকাশ পায় যে তিনি স্বয়ং কালী ডাকাতের প্রেতাত্মা। সে জানায়, তার দলেরই লোক ‘বেঁকাচাঁদ’ বিশ্বাসঘাতকতা করে পুলিশকে খবর দিয়েছিল, তাই প্রতিশোধ হিসেবে সে প্রতিরাতে তাকে হত্যা করে। অধীরবাবু সাধারণ মানুষ বুঝতে পেরে কালী ডাকাত শান্ত হয় এবং একটি সিগারেট দেখতে চেয়ে কৌতূহল প্রকাশ করে। কিন্তু অধীরবাবু দেশলাই/লাইটার জ্বালাতেই আলোর ঝলকানিতে প্রেতাত্মাটি বাতাসে মিলিয়ে যায়।

ভয় কেটে গিয়ে অধীরবাবু উপলব্ধি করেন যে ডাকাতের আত্মাটি তার কোনো ক্ষতি করতে চায়নি। তিনি সানন্দে বন্ধুদের কাছে বাজি হার স্বীকার করার সিদ্ধান্ত নেন এবং গ্রামে এলে কালী ডাকাতের সঙ্গে আবার দেখা করার ইচ্ছা নিয়ে ফিরে যান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!