Skip to main content

Jokkho

PANGSHAMARI JONGOLE PART 1 – FOREST DARK HORROR STORY

এই গল্প বা ভিডিওটি সম্পূর্ণরূপে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য-

কলকাতার বাসিন্দা ও অভিজ্ঞ শিকারি অভয়রঞ্জন গড়গড়ি ছুটির অবসরে পাংসামারি জঙ্গলের কাছে একটি নতুন গেস্ট হাউসে এসে ওঠেন। সেখানে পৌঁছে তিনি জঙ্গলে শিকার করার তীব্র ইচ্ছা প্রকাশ করেন। কিন্তু গেস্ট হাউসের কর্মচারী গিরিধারী তাকে বারণ করে এবং জানায় যে, জঙ্গলের স্থানীয় আদিবাসীরা এখানে কাউকে শিকার বা ক্ষতি করতে দেয় না। তাদের বিশ্বাস, অরণ্যের রক্ষাকর্তা ‘বঙ্গা দেবতা’ বনের ক্ষতি সাধনকারীদের চরম অভিশাপে অদৃশ্য বা ধ্বংস করে দেন।

কিছুক্ষণের মধ্যেই কয়েকজন আদিবাসী এসে অভয় বাবুকে সরাসরি সাবধান করে বলে—বঙ্গা দেবতার অনুমতি ছাড়া এই বনে প্রবেশ বা শিকার করলে মহা বিপদ নেমে আসবে। যুক্তিবাদী ও অহংকারী অভয় বাবু তাদের এই বিশ্বাসকে কুসংস্কার মনে করে উড়িয়ে দেন এবং মুখে বনে না যাওয়ার আশ্বাস দিয়ে তাদের বিদায় করেন।

কিন্তু অন্ধকার নামতেই তিনি নিজের শিকারি পোশাক, বন্দুক ও ছুরি নিয়ে চুপিচুপি গভীর জঙ্গলে পা বাড়ান। তার বংশপরম্পরার শিকারের গর্ব ও অহমিকা তাকে এই নিষেধ অমান্য করতে বাধ্য করে। অরণ্যের গভীরে এগিয়ে যেতে যেতে তিনি দেখতে পান আদিবাসীদের তৈরি বঙ্গা দেবতার এক অদ্ভুত ও রহস্যময় বেদি—যেখানে পাখির মতো এবং কতকটা শুয়োরের মুখের লাল চোখের মূর্তি ঘিরে ঝোলানো রয়েছে হাড়গোড়। সেই দৃশ্য দেখেও তিনি দেবতার প্রতি উপহাস করে এগিয়ে যান।

কিছুদূর যাওয়ার পর তিনি একটি বনমোরগ দেখতে পেয়ে লক্ষ্যভেদ করেন। কিন্তু ঠিক তখনই তার পেছন দিয়ে এক অতিপ্রাকৃতিক তীব্র ঝোড়ো হাওয়ার মতো কিছু ছুটে যায়। এটিকে সাধারণ বুনো জন্তু ভেবে উড়িয়ে দিয়ে অভয় বাবু শিকার নিয়ে গেস্ট হাউসে ফিরে যান—অজানতেই বনের ভয়ংকর অভিশাপের মুখোমুখি হওয়ার সূচনা ঘটিয়ে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!