PANGSHAMARI JONGOLE PART 2 – FOREST DARK HORROR STORY
PANGSHAMARI JONGOLE || AKIBUKI ANIMATION || banglar horror
পাংসামারির জঙ্গলে শিকারের উদ্দেশ্যে গিয়ে অভয় বাবু একটি বনমোরগ শিকার করে গেস্ট হাউসে ফেরেন। সেখানে আদিবাসীরা এসে তাকে কড়া ভাষায় সতর্ক করে জানায় যে, এই জঙ্গল ও তার সমস্ত পশুপাখি তাদের উপাস্য ‘বঙ্গা দেবতা’র সন্তান। বনের কোনো ক্ষতি বা শিকার করলে বঙ্গা দেবতা ক্ষিপ্ত হয়ে অপরাধীকে বুনো শুয়োরে রূপান্তর করে নিজের দাস বানিয়ে রাখেন। অতীতে গাছ কাটতে আসা চারজন কাঠুরিয়ারও একই পরিণতি হয়েছিল বলে তারা জানান।
অহংকারী ও যুক্তিবাদী অভয় বাবু আদিবাসীদের এই বিশ্বাসকে কুসংস্কার ভেবে উড়িয়ে দেন এবং বঙ্গা দেবতাকে ব্যঙ্গ করে পরের রাতে বড় শিকারের জন্য আবারও গভীর জঙ্গলে প্রবেশ করেন। পথিমধ্যে বঙ্গা দেবতার বেদির সামনে দাঁড়িয়েও তিনি উপহাস করতে ছাড়েন না। কিন্তু অদ্ভুতভাবে সেই রাতে পুরো জঙ্গল এক অস্বাভাবিক নিস্তব্ধতায় আচ্ছন্ন ছিল।
হঠাৎ এক ঝোপ নড়তে দেখে অভয় বাবু গুলি চালান। কিন্তু সেখান থেকে বেরিয়ে আসে রক্তবর্ণ চোখ ও ধারালো দাঁতওয়ালা এক হিংস্র বুনো শুয়োর। তিনি পয়েন্ট-ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করলেও শুয়োরের শরীর ভেদ করে গুলি চলে যায়, কিন্তু কোনো ক্ষতি হয় না। আতঙ্কিত অভয় বাবুকে কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘিরে ধরে মোট চারটি অপার্থিব বুনো শুয়োর। ঠিক তখনই বনের বাতাস ভারী করে বঙ্গা দেবতার দৈববাণী ধ্বনিত হয়—বনের প্রাণীর রক্ত ঝরানোর অপরাধে তাকেও শুয়োরে পরিণত করে জঙ্গল পাহারার কাজে নিযুক্ত করা হবে।
পরদিন রাতে বঙ্গা দেবতার বেদির সামনে চারটি শুয়োরের বদলে পাঁচটি শুয়োর চড়ে বেড়াতে দেখা যায়। অভয় বাবুর অহংকার চূর্ণ করে বনের রহস্যময় অভিশাপ বাস্তব রূপ নেয়।