Skip to main contentBHUT KI ACHE? – Bengali Ghost Story
এই গল্প বা ভিডিওটি সম্পূর্ণরূপে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য-
আদিসপ্তগ্রামের কয়েকজন মাঝি—ত্রিভুবন, বিশ্বেশ্বর, হারুয়া ও বয়সে তরুণ কাশী বৃষ্টির সন্ধ্যায় গ্রামের প্রান্তে বাঁশের মাচায় নিয়মিত আড্ডায় বসে। আলোচনার মাঝে ভূতের অস্তিত্ব নিয়ে কথা উঠলে কাশী নিজেকে সাহসী প্রমাণের চেষ্টা করে। এমন সময় সেখানে উপস্থিত হন এক রক্তাম্বরধারী সন্ন্যাসী—শ্যামাপ্রসাদ চক্রবর্তী, যাঁকে সবাই ‘ভূত জল্লাদ বাবা’ বলে চেনে। তিনি জানান, নদীয়া থেকে চন্দননগরে এক শিষ্যের মেয়ের বিয়েতে যাচ্ছিলেন, কিন্তু দুর্যোগে পথ ভুলে এখানে এসেছেন।
কথার সূত্রে সাধুবাবা দাবি করেন তিনি তন্ত্রবলে ভূত-প্রেত বশে রাখতে পারেন। মাচার সঙ্গীরা অবিশ্বাস প্রকাশ করলে এবং কাশী ভূত দেখার বায়না ধরলে সাধুবাবা তাকে গ্রামের পুরনো অপঘাতে মৃত্যুর বদনাম থাকা বেলগাছের তলায় পাঠান। তিনি কাশীর হাতে একটি তেলে ভাজা পিঠে দিয়ে নির্দেশ দেন—পিঠে ফেলে দিয়ে ভূত খাওয়ার আগেই যেন সে ফিরে আসে এবং কোনো অবস্থাতেই যেন পেছন ফিরে না তাকায়।
বেলগাছের তলায় যেতেই বিকট আওয়াজ শুনে কাশী ভয়ে পিঠে মাটিতে ফেলে দেয়। কিন্তু ফেরার সময় কৌতূহল ও আতঙ্কে পেছন ফিরে তাকাতেই দেখে সিঁদুরের মতো লাল চোখের এক বিশালাকার কালো ছায়ামূর্তি দাঁড়িয়ে। নির্দেশ অমান্য করায় সেই প্রেতাত্মা কাশীর দেহে ভর করে মাচায় ফিরে আসে এবং তাকে ব্যঙ্গ করা বিশ্বেশ্বরের গলা টিপে ধরে।
পরিস্থিতি বেগতিক দেখে সাধুবাবা নিঃশ্বাস বন্ধ করে একদৃষ্টিতে কাশীর রক্তবর্ণ চোখের দিকে তাকিয়ে শক্তিশালী মন্ত্রোচ্চারণ শুরু করেন। সাধুবাবার তান্ত্রিক শক্তির কাছে পরাজিত হয়ে আর্তনাদ করতে করতে প্রেতাত্মাটি কাশীর দেহ ত্যাগ করে পালিয়ে যায়। কাশী স্বাভাবিক হয়ে উঠলেও তার এই বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতা দেখে মাচার অন্যদের ভূত দেখার সমস্ত কৌতূহল চিরতরে উবে যায়।
error: Content is protected !!