Abandoned Temple of Trishulpur
A holiday visit turns into a nightmare when a boy witnesses spirits performing a horror Gazan ritual at an ancient abandoned temple in Trishulpur.
গ্রামের পরিবেশ ও রহস্যময় অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে গল্পটি রচিত। এক শহরুরে যুবক তার মামার বাড়িতে ঘুরতে এসে গ্রামের দর্শনীয় স্থান খোঁজার চেষ্টা করছিল। একদিন বিকেলে সে যখন পুকুরপাড়ে মাছ ধরতে যায়, তখন পুকুরের মালিকের কাছে একটি বহু পুরোনো ও পরিত পরিত্যক্ত শিব মন্দিরের কথা জানতে পারে। গ্রামে প্রচলিত ছিল যে, বহু বছর আগে কোনো এক অজ্ঞাত কারণে মন্দিরটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে সেখানে আর কোনো মানুষের পুজো পড়ে না। ফলে হরপার্বতীর আসল অনুচর বা প্রেতাত্মারাই প্রতি রাতে সেখানে এসে আরাধনা করে। সে কারণে রাতের অন্ধকারে গ্রামের কেউ ওদিকে যাওয়ার সাহস পায় না।
ঘটনাটি শুনে কৌতূহলী ছেলেটি কৌতূহল সংবরণ করতে না পেরে সন্ধ্যাবেলাই মন্দিরের দিকে রওনা দেয়। মন্দিরের কাছে পৌঁছাতেই সে শঙ্খ ও ঘণ্টার শব্দ শুনতে পায়। ভেবেছিল হয়তো কোনো সাধারণ মানুষই পুজো দিচ্ছে, কিন্তু সামনে এগোতেই দৃশ্যটি বদলে যায়। সে দেখে গাছে ও চারপাশে অদ্ভুত সব প্রেতাত্মারা ঘুরে বেড়াচ্ছে; কেউ ঢোল, খঞ্জনি বা ডুগডুগি বাজাচ্ছে আর সবাই উচ্চস্বরে “জয় মহাকাল” ধ্বনি দিচ্ছে।
হঠাৎই এক প্রেতাত্মা চিৎকার করে ওঠে— “আজ আমাদের মাঝে এক পাপী এসেছে, তাকে দলে টেনে নাও!” ভয়ে ছেলেটি স্থির হয়ে যায়। ভূতগুলো তাকে ঘিরে ধরে “হর হর মহাদেব” জপ করতে থাকে। আতঙ্কে জ্ঞান হারানোর মুখে ছেলেটি দূর থেকে কিছু আলো এগিয়ে আসতে দেখে এবং নিজের মামার ডাক শুনতে পায়। মামা ও গ্রামবাসীরা সময়মতো এসে পৌঁছানোয় ছেলেটি অলৌকিক বিপদ থেকে রক্ষা পায়।