Skip to main contentCHAMRA PORA GONDHO – Bengali Horror Story
এই গল্প বা ভিডিওটি সম্পূর্ণরূপে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য-
বেজেরডাঙ্গা গ্রামের সোনার ব্যবসায়ী গগন বিশ্বাস রাতে বাড়ি ফেরার পথে পোড়া চামড়ার তীব্র দুর্গন্ধ পায় এবং তার সামনে এসে দাঁড়ায় এক আগুনে পোড়া ছায়ামূর্তি। সেই প্রেতাত্মা ছিল নিরীহ বৈকুন্ঠ মিত্তিরের, যাকে সাত বছর আগে জমি দখলের লোভে গ্রামের মোড়ল অখিল বাঁড়ুজ্যে, কালাচাঁদ ও গগন মিলে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে জীবন্ত পুড়িয়ে মেরেছিল। মৃত্যুর প্রতিশোধ হিসেবে বৈকুন্ঠের আত্মা গগনকে নির্মমভাবে হত্যা করে।
পরদিন গগনের মৃত্যুতে গ্রামে চাঞ্চল্য ছড়ায়। মোড়ল সাবধানতা অবলম্বনের কথা বললেও রাতে তার নিজের ঘরেই চামড়া পোড়া দুর্গন্ধের সঙ্গে বৈকুন্ঠের প্রেতাত্মা হাজির হয়ে সবাইকে শেষ করার হুমকি দেয়। চরম আতঙ্কে মোড়ল শ্মশানের এক কাপালিকের সাহায্য নিয়ে প্রেতাত্মা তাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়।
পরদিন বিকেলে কালাচাঁদ ও আরও দু’জনকে সঙ্গে নিয়ে মোড়ল শ্মশানের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। নির্জন পথে হঠাৎ পেছনের দু’জন রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে যায়। এরপর আবার চামড়া পোড়া গন্ধ ভেসে উঠলে মোড়ল দেখতে পায় বৈকুন্ঠের অতৃপ্ত আত্মা কালাচাঁদের দেহে ভর করেছে। মোড়ল কান্নাকাটি করে ক্ষমা ভিক্ষা চাইলে প্রেতাত্মা তাকে আর কারও ক্ষতি না করার শর্তে আপাতদৃষ্টিতে ছেড়ে দেয়।
কিন্তু মোড়লের মনে অনুশোচনা না এসে কেবল বেঁচে থাকার কুটিল চিন্তা ঘুরপাক খেতে থাকে। সে আবারও কাপালিকের কাছে যাওয়ার পথেই এগিয়ে যায়। পরদিন সকালে গ্রামবাসীরা দেখতে পায়, বটগাছে মোড়ল ও কালাচাঁদের মৃতদেহ ঝুলছে, আর সঙ্গে থাকা অন্য দু’জন অক্ষত অবস্থায় গাছের গুঁড়িতে বাঁধা রয়েছে। এভাবে বৈকুন্ঠ বুড়ো তার নির্মম হত্যার চরম প্রতিশোধ সম্পন্ন করে।
error: Content is protected !!