JEL PALANO KOYEDI
This story is set on a rainy day with horror mysterious vibes. Our narrator is explaining a incident involving a ghost who he saw many years ago.
জেলের ভাঙা দেয়াল গলে গভীর রাতে পালিয়ে যায় দুই সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি। কিন্তু মুক্ত হলেও তাদের সামনে তখন দাঁড়িয়ে এক দুর্ভেদ্য ও বিভীষিকাময় জঙ্গল। রাত কাটানোর জায়গা আর খাবারের খোঁজে জঙ্গলের গভীরে হাঁটতে হাঁটতে তারা একটি বুনো মুরগি শিকার করে। পথিমধ্যে একটি অন্ধকার গুহার সন্ধান পেয়ে তারা তার সামনে আগুন জ্বালিয়ে মাংস পুড়িয়ে খায় এবং ক্লান্ত শরীরে গুহার ভেতরেই ঘুমিয়ে পড়ে।
গভীর রাতে হঠাৎ একজনের ঘুম ভেঙে গেলে সে দেখে তার পাশে সঙ্গীটি নেই। চারপাশ নিঝুম, কোনো সাড়াশব্দ নেই। বন্ধুর খোঁজে বাইরে বেরিয়ে ঝিঁঝিঁ পোকা ও নদীর কলতান শুনে সে নদীর পাড়ের দিকে এগোয়। সেখানে গিয়ে সে দেখে এক রহস্যময়ী নারী নদীর দিকে মুখ করে বসে আছে। লোকটিকে ডাকতেই নারীটি শরীর না ঘুরিয়ে জাদুবলে তার পুরো মাথাটি ১৮০ ডিগ্রি ঘুরিয়ে পেছনের দিকে এনে এক অশুভ ও ভয়াবহ হাসি দেয়!
প্রাণভয়ে দৌড়াতে গিয়ে লোকটির চোখ ছানাবড়া হয়ে যায়—সামনের গাছে তার নিখোঁজ বন্ধুর রক্তাক্ত লাশ দড়িতে ঝুলছে! আতঙ্কিত হয়ে দিগ্বিদিক জ্ঞান হারিয়ে সে আবারও দৌড়াতে থাকে, কিন্তু কিছুদূর যেতেই গাছের ডাল থেকে তার সামনে উল্টো হয়ে ঝুলে পড়ে সেই ডাইনি নারী, যার শরীর থেকে টপটপ করে রক্ত ঝরছে মাটিতে। অবশেষে মৃত্যুর মুখ থেকে বাঁচতে শেষ চেষ্টা করে দৌড়াতে দৌড়াতে সে জঙ্গল পেরিয়ে এক পিচঢালা বড় রাস্তায় এসে পৌঁছায়। ঠিক সেই মুহূর্তেই সামনে আসা একটি লরিতে উঠে কোনোমতে অলৌকিক কালরাত থেকে রক্ষা পায় সে।
জেলের ভাঙা দেয়াল গলে গভীর রাতে পালিয়ে যায় দুই সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি। কিন্তু মুক্ত হলেও তাদের সামনে তখন দাঁড়িয়ে এক দুর্ভেদ্য ও বিভীষিকাময় জঙ্গল। রাত কাটানোর জায়গা আর খাবারের খোঁজে জঙ্গলের গভীরে হাঁটতে হাঁটতে তারা একটি বুনো মুরগি শিকার করে। পথিমধ্যে একটি অন্ধকার গুহার সন্ধান পেয়ে তারা তার সামনে আগুন জ্বালিয়ে মাংস পুড়িয়ে খায় এবং ক্লান্ত শরীরে গুহার ভেতরেই ঘুমিয়ে পড়ে।
গভীর রাতে হঠাৎ একজনের ঘুম ভেঙে গেলে সে দেখে তার পাশে সঙ্গীটি নেই। চারপাশ নিঝুম, কোনো সাড়াশব্দ নেই। বন্ধুর খোঁজে বাইরে বেরিয়ে ঝিঁঝিঁ পোকা ও নদীর কলতান শুনে সে নদীর পাড়ের দিকে এগোয়। সেখানে গিয়ে সে দেখে এক রহস্যময়ী নারী নদীর দিকে মুখ করে বসে আছে। লোকটিকে ডাকতেই নারীটি শরীর না ঘুরিয়ে জাদুবলে তার পুরো মাথাটি ১৮০ ডিগ্রি ঘুরিয়ে পেছনের দিকে এনে এক অশুভ ও ভয়াবহ হাসি দেয়!
প্রাণভয়ে দৌড়াতে গিয়ে লোকটির চোখ ছানাবড়া হয়ে যায়—সামনের গাছে তার নিখোঁজ বন্ধুর রক্তাক্ত লাশ দড়িতে ঝুলছে! আতঙ্কিত হয়ে দিগ্বিদিক জ্ঞান হারিয়ে সে আবারও দৌড়াতে থাকে, কিন্তু কিছুদূর যেতেই গাছের ডাল থেকে তার সামনে উল্টো হয়ে ঝুলে পড়ে সেই ডাইনি নারী, যার শরীর থেকে টপটপ করে রক্ত ঝরছে মাটিতে। অবশেষে মৃত্যুর মুখ থেকে বাঁচতে শেষ চেষ্টা করে দৌড়াতে দৌড়াতে সে জঙ্গল পেরিয়ে এক পিচঢালা বড় রাস্তায় এসে পৌঁছায়। ঠিক সেই মুহূর্তেই সামনে আসা একটি লরিতে উঠে কোনোমতে অলৌকিক কালরাত থেকে রক্ষা পায় সে।