KHUDARTHO PRETATTA – Bengali Horror Story
হুদিন পর শহরের কাজ সেরে নিজের গ্রাম ‘নন্দনগড়ে’ ফিরছিল ফটিক। কিন্তু পথিমধ্যে কালবোশেখী মেঘে আকাশ অন্ধকার হয়ে আসে। নন্দনগর পৌঁছানোর আগে ‘চন্দনগড়’ নামক একটি রহস্যময় গ্রামে ঢুকতেই ফটিক দেখে পুরো গ্রাম থমথমে ও জনমানবহীন; সব ঘরবাড়ি বন্ধ। হঠাৎই অন্ধকার ফুঁড়ে কয়েকটি ছায়ামূর্তি তাকে চারপাশ থেকে ঘিরে ধরে চেপে ধরে।
পরদিন সকালে লালচে চোখ নিয়ে বাড়ি ফিরে আসে ফটিক। মা-বাবা কিছুই টের পায় না। রাতে বাবার সঙ্গে খেতে বসে ফটিক এক অদ্ভুত হিংস্রতার সাথে পাতে থাকা সমস্ত খাবার রাক্ষসের মতো গোগ্রাসে গিলে ফেলে।
গভীর রাতে চালের ওপর বিকট আওয়াজ শুনে ফটিকের মা-বাবা বাইরে বেরিয়ে এক বীভৎস দৃশ্য দেখে স্তব্ধ হয়ে যায়! ফটিক ঘরের চালের ওপর বসে আছে, আর তার মুখ, হাত ও সারা শরীর রক্তে ভেসে যাচ্ছে। ঠিক তখনই গ্রামের এক প্রতিবেশী ছুটে এসে জানায়, একটু আগে ফটিক নাকি তাদের গোয়ালঘর থেকে জ্যান্ত ছাগল চুরি করে নিয়ে এসেছে! মা-বাবা পরম আতঙ্কে বুঝতে পারে, ফটিকের হাতে থাকা জিনিস দুটি আসলে কাঁচা ছাগলের ঠ্যাং, যা সে দাঁত দিয়ে চিবিয়ে চিবিয়ে খাচ্ছে! চন্দনগড়ের সেই অভিশপ্ত ছায়ামূর্তি বা প্রেতাত্মাই ভর করেছে ফটিকের ওপর। অবশেষে গ্রামের এক সিদ্ধ সাধককে ডেকে এনে অলৌকিক তান্ত্রিক ক্রিয়ার মাধ্যমে ফটিকের প্রাণ বাঁচানো হয় এবং অপচ্ছায়াকে মুক্ত করা হয়।
আরও গল্প – https://jokkho.com/?p=1448