Skip to main content

Jokkho

সতর্কবার্তা: এই অডিও স্টোরিটি সায়েন্স ফিকশন ও রহস্য ঘরানার একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও এক্সক্লুসিভ কন্টেন্ট। এর গুমোট পরিবেশ এবং থ্রিলিং আবহ শ্রোতাদের মনে এক অদ্ভুত রহস্যের সৃষ্টি করতে পারে, তাই দুর্বল হৃদয়ের অধিকারীদের এটি সাবধানে শোনার অনুরোধ করা হচ্ছে।

শনিবারের সন্ধ্যা এবং বারো তলার অফিস থেকে ফেরা

শহরবাসীর কাছে শনিবারের বিকেল মানেই এক স্বস্তির নিঃশ্বাস আর ছুটির আমেজ। সপ্তাহের অন্যান্য দিনের মতো সেদিনও অফিসে নিজের কাজ শেষ করে ঘড়ির কাঁটায় তখন ঠিক সন্ধে ছটা বেজে পদেরো মিনিট—অফিস থেকে বেরিয়ে আসে গল্পের মূল চরিত্র এক সাধারণ কর্পোরেট কর্মী। বারো তলায় তার অফিস অবস্থিত। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, সেদিন আর পাঁচটা সাধারণ দিনের মতো সহকর্মীদের কোনো ভিড়ভাট্টা বা কোলাহল ছিল না। সবাই তার আগেই অফিস থেকে বেরিয়ে গেছে, চারপাশটা কেমন যেন এক অদ্ভুত ও ভুতুড়ে নীরবতায় মোড়ানো। একা একা নিঃশব্দে সে লিফটের বোতাম টিপে কেবিনে প্রবেশ করে এবং নিচের দিকে নামার জন্য লিফটের দরজা বন্ধ হয়ে যায়।

চার তলায় লিফটের আকস্মিক বিভ্রাট ও প্যারালাল ডাইমেনশন

লিফট যখন ধীরে ধীরে নিচের দিকে নামছিল, ঠিক তখনই মাঝপথে এসে হঠাৎ করে এক অদ্ভুত ঝাঁকুনি দিয়ে লিফটটি চার তলায় এসে আটকে যায়। সামান্য থমকে যাওয়ার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে লিফটের দরজা খুলে যায়। কিন্তু দরজা খোলার পর বাইরের দৃশ্য দেখে তার রক্ত হিম হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়! সে দেখে, বাইরে চেনা কোনো ফ্লোর বা অফিসের চত্বর নেই—চারপাশ জুড়ে শুধু অন্তহীন এক করিডোর, যেখানে সারিবদ্ধভাবে একই রকম দেখতে অজস্র অফিসের দরজা হুবহু মিলে গেছে। কোথাও কোনো প্রাণের স্পন্দন নেই, চারপাশটা একেবারে খাঁ-খাঁ করছে আর বাতাস যেন অতিরিক্ত গুমোট ও ভারী হয়ে উঠেছে। ভয়ে বুক কেঁপে উঠলেও সে কৌতূহলবশত লিফট থেকে একটু বাইরে পা রেখে চারপাশটা দেখার চেষ্টা করে। কিন্তু মুহূর্তে যখন সে আবার লিফটের ভেতরে ফিরে আসার জন্য ঘোরে, সে দেখে তার পায়ের নিচের লিফটের দরজাটাই গায়েব হয়ে গেছে!

দূর থেকে আসা ভয়ংকর মুখাবয়ব ও দৌড়

ঠিক সেই মুহূর্তে নিস্তব্ধ সেই করিডোরের সুদূর অন্ধকার প্রান্ত থেকে সে দেখতে পায়, অচেনা এক মানুষ বা অবয়ব যেন তার দিকেই তাকিয়ে রয়েছে। পরমুহূর্তেই সেই লোকটা পাগলের মতো তার দিকে সজোরে দৌড়ে আসতে শুরু করে! লোকটা যখন দূরত্ব কমিয়ে একদম কাছাকাছি চলে আসে, তখন তার সেই বীভৎস, বিকৃত এবং অমানুষিক কদাকার মুখখানা দেখে ছেলেটির আত্মার রাম নাম বেরিয়ে যায়। বাঁচার একমাত্র উপায় হিসেবে সে তখন দিকভ্রান্ত হয়ে উল্টো দিকে প্রাণপণে দৌড়াতে শুরু করে। কোথায় পালাবে, কোন দিকে রাস্তা শেষ হবে—কিছুই সে বুঝতে পারে না। বুক ফেটে তখন তার আর্তনাদ বের হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

লিফটের পুনরুত্থান এবং সায়েন্স ফিকশনের রহস্য

দৌড়াতে দৌড়াতে হঠাৎ করেই সে দেখতে পায়, একটু দূরে অন্ধকারের মধ্যে দাউদাউ করে জ্বলে উঠেছে লিফটের সেই চেনা দরজাটি। এক মুহূর্তও দেরি না করে সে সোজা সেই দরজার ভেতরে ঝাঁপিয়ে পড়ে। সাথে সাথেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে লিফটের দরজা বন্ধ হয়ে যায় এবং কোনো এক অদৃশ্য টানে লিফট দ্রুত গতিতে নিচে নেমে আসে গ্রাউন্ড ফ্লোরে। বাস্তব দুনিয়ায় ফিরে আসার পর সে হাঁপাতে থাকে। প্রচুর সায়েন্স ফিকশন মুভি ও প্যারালাল ইউনিভার্সের থিওরি নিয়ে ঘাটাঘাটি থাকায় তার বুঝতে বাকি থাকে না যে, ছটা বেজে পদেরো মিনিটের সেই বিশেষ সময়ে কোনো এক অজানা ত্রুটির কারণে সে আসলে মহাবিশ্বের অন্য কোনো সমান্তরাল ডাইমেনশন বা সমান্তরাল দুনিয়ায় গিয়ে পৌঁছ গিয়েছিল!

কেন শুনবেন এই এক্সক্লুসিভ অডিও স্টোরিটি?

  • যক্ষ (Jokkho)-এর নিজস্ব এক্সক্লুসিভ কন্টেন্ট: অন্য কোথাও পাবেন না, শুধুমাত্র আমাদের প্ল্যাটফর্মে উপলব্ধ একটি ইউনিক সায়েন্স ফিকশন থ্রিলার।

  • প্যারালাল ইউনিভার্স ও টাইম-স্পেস মিস্ট্রি: বিজ্ঞানের কল্পিত ডাইমেনশন শিফট এবং ভয়ের এক অপূর্ব মিশ্রণ।

  • অসাধারণ সাউন্ড ডিজাইন: আমাদের প্ল্যাটফর্মে লিফটের মেকানিকাল সাউন্ড, গুমোট পরিবেশ এবং হার্টবিটের নিখুঁত সাউন্ড ইফেক্ট আপনার কল্পনার জগতকে কাঁপিয়ে দেবে।

সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

১. এই গল্পটি কি সত্যি কোনো ঘটনার ওপর ভিত্তি করে তৈরি?

উত্তর: না, এটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক একটি সায়েন্স ফিকশন অডিও স্টোরি যা যক্ষ (Jokkho) প্ল্যাটফর্মের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে।

২. গল্পটি কোথায় শুনতে পাবো?

উত্তর: আমাদের যক্ষ (Jokkho) ওয়েবসাইটে এই এক্সক্লুসিভ সায়েন্স ফিকশন অডিও স্টোরিটি উপভোগ করতে পারবেন।

সায়েন্স ফিকশন ও রোমাঞ্চে ভরপুর এই অদ্ভুত ডাইমেনশনের কাহিনী শুনতে এখনই ভিজিট করুন যক্ষ-তে! গল্পটি শোনার পর আপনাদের কেমন লাগলো, কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না।

Cover

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!