Skip to main content

Jokkho

Kalboishakhir Chhayaghana Rat

সতর্কবার্তা: এই গল্পটি শুধুমাত্র বিনোদনের উদ্দেশ্যে তৈরি একটি কাল্পনিক রহস্য ও থ্রিলারধর্মী কাহিনী। গল্পের সকল চরিত্র, স্থান ও ঘটনা সম্পূর্ণ কাল্পনিক।

কালবৈশাখীর রাতে রহস্যময় যাত্রা ও দুই বন্ধুর কথোপকথন

সময়টা বর্তমানকাল। বাইরে তখন কালবৈশাখীর প্রচল তাণ্ডবে আকাশ কালো করে মুষলধারে বৃষ্টি নামছে। এমন এক ভয়ংকর দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় দুই বন্ধু গাড়ি নিয়ে জরুরি কাজে এক গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। তাদের মধ্যে একজন পেশায় সাহসী রিপোর্টার এবং অন্যজন ব্যবসায়ী। গাড়ি চালাতে চালাতে রিপোর্টার বন্ধুটি হঠাৎ খেয়াল করে তার ব্যবসাদার বন্ধুর ডান হাতটা ব্যান্ডেজ করা। কৌতূহলবশত সে জিজ্ঞেস করে, “তোর হাতে কী হয়েছে?” ব্যবসাদার বন্ধুটি আমতা আমতা করে জানায় যে সামান্য চোট লেগেছে, আর ঠিক এই কারণেই সে রিপোর্টার বন্ধুটিকে সাথে ডেকে নিয়েছে যাতে গাড়ি চালাতে সুবিধা হয়। রিপোর্টারটি তখন বেশ বিরক্তি প্রকাশ করে বলে, “এই দুর্যোগের রাতে তোর আবার বিজয়গড় যাওয়ার কী এমন দরকার পড়ল?” উত্তরে ব্যবসাদার বন্ধুটি জানায় যে তার গাড়ির ড্যাশবোর্ডে একটি জরুরি ওষুধের বাক্স আছে, যা যেকোনো মূল্যে বিজয়গড়ের একটা নির্দিষ্ট দোকানে পৌঁছে দিতেই হবে; নয়তো তার চাকরি নিয়ে টানাটানি পড়বে এবং তাকে বরখাস্ত করা হবে।

পুলিশ চেকিং ও রাস্তা অবরোধের বিড়ম্বনা

বৃষ্টির গতি আরও বাড়তে থাকে এবং রাতের অন্ধকার যেন চারপাশ গ্রাস করতে চায়। কিছুদূর যাওয়ার পরই রাস্তায় পুলিশের একটি চেকিং পয়েন্টে তাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়। পুলিশ যখন তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে, তখন রিপোর্টার বন্ধুটি তৎক্ষণাৎ তার প্রেসের আই-কার্ডটি দেখিয়ে দেয়। আই-কার্ড দেখে পুলিশ অফিসার সন্দেহজনক কিছু না পেয়ে তাদের গাড়ি ছেড়ে দেয়। কিন্তু বিপদ যেন পিছু ছাড়ছিল না। সামনে এগোতেই তারা দেখতে পায় কালবৈশাখীর ঝড়ে বড় বড় গাছ ভেঙে পড়ে রাস্তা সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ হয়ে আছে। কোনোভাবেই আর মূল রাস্তা দিয়ে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। উপায় না পেয়ে তারা রাস্তার ধρέ একটি ছোট্ট চায়ের দোকানে গাড়ি থামায়। দোকানের বয়স্ক লোকটি তাদের দিকে তাকিয়ে অদ্ভুত সুরে বলে, “সামনে একটা পুরনো টানেল আছে, ওদিক দিয়ে চলে যান।” রিপোর্টার অবাক হয়ে বলে, “সেকি! ওই টানেল তো অনেক বছর ধরে বন্ধ!” লোকটি তখন জানায় যে এখন রাস্তা খোলা আছে, তারা অনায়াসে পার হতে পারবে।

অভিশপ্ত টানেল ও গাড়ির আকস্মিক ইঞ্জিন বন্ধ

দোকানদারের কথা বিশ্বাস করে দুই বন্ধু তাদের গাড়িটি সেই অন্ধকার ও নিস্তব্ধ টানেলের ভেতরে প্রবেশ করায়। টানেলের ভেতরে ঢোকার পর থেকেই পরিবেশটা কেমন যেন ভারী ও গা ছমছমে হয়ে ওঠে। চারপাশ নিখুঁত নীরবতা আর দেওয়াল বেয়ে চুইয়ে পড়া বৃষ্টির জলের শব্দ ছাড়া আর কিছুই নেই। টানেলের ঠিক মাঝবরাবর পৌঁছানোর পর মুহূর্তের মধ্যে কোনো কারণ ছাড়াই গাড়িটির ইঞ্জিন হঠাত্ করে চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়। শত চেষ্টা করেও গাড়ি আর স্টার্ট নেওয়া যায় না। গাড়ির হেডলাইটের কাঁপাকাঁপা আলোয় ঠিক তখনই গল্পের সবচেয়ে রোমহর্ষক ও মারাত্মক টুইস্টটি সামনে আসে!

পুলিশ অফিসারের প্রেতাত্মা ও চাঞ্চল্যকর সত্যের উন্মোচন

অন্ধকার টানেলের ভেতর হঠাৎ করেই আবির্ভূত হয় এক মৃত পুলিশ অফিসারের ভয়ঙ্কর প্রেতাত্মা। সেই অতিলৌকিক শক্তিধারী পুলিশ অফিসার সোজা আঙুল তুলে ব্যবসাদার বন্ধুটির মুখোশ খুলে দেয়। সে জানায়, বন্ধুটির আসলে হাত ভাঙেনি! এটি তার একটি নিখুঁত অভিনয় মাত্র। আর ওষুধের বাকсы বলে যা সে বহন করছে, তার ভেতরে কোনো জীবনদায়ী ওষুধ নেই—বরং রয়েছে নিষিদ্ধ অস্ত্র, বেআইনি বন্দুক এবং চোরাচালানের বিপজ্জনক জিনিসপত্র! অতীতে এই দুর্নীতি ও চোরাচালানচক্রের হাতেই প্রাণ হারাতে হয়েছিল সেই কর্তব্যরত পুলিশ অফিসারকে। আজ কালবৈশাখীর এই ঝড়ো রাতে নিজের অপমৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে এবং অপরাধীদের মুখোশ উন্মোচন করতেই তার এই অতিলৌকিক আগমন। দুই বন্ধুর এই শ্বাসরুদ্ধকর থ্রিলার গল্পে শেষ পর্যন্ত কী ঘটেছিল, তা জানতে অবশ্যই পড়ুক এই কাহিনী।

কেন দেখবেন ও পড়বেন এই গল্পটি?

  • মডার্ন থ্রিলার ও সাসপেন্স: বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে সাজানো এক টানটান উত্তেজনার অপরাধমূলক গল্প।
  • ভয়ঙ্কর টুইস্ট: বন্ধুত্বের আড়ালে লুকিয়ে থাকা চোরাচালানের আসল সত্য এবং অতিলৌকিক প্রতিশোধের দারুণ মেলবন্ধন।
  • অসাধারণ সাউন্ড ডিজাইন: কালবৈশাখীর ঝড় ও টানেলের ভেতরের আবহসঙ্গীতের নিখুঁত অ্যানিমেশন।

সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

১. এই গল্পটি কি সত্য ঘটনার ওপর ভিত্তি করে তৈরি? কাল্পনিক একটি থ্রিলার গল্প।

উত্তর: না, এটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক একটি থ্রিলার গল্প।

২. গল্পটি কোথায় দেখতে পাবো?

উত্তর: আমাদের যক্ষ (Jokkho) ওয়েবসাইটে আকর্ষণীয় অ্যানিমেশন ও সাউন্ড এফেক্টসহ এটি উপভোগ করতে পারবেন।

ঝড়ের রাতের এই রোমাঞ্চকর রহস্য ও প্রতিশোধের কাহিনী পড়তে এখনই ভিজিট করুন যক্ষ-তে! গল্পটি কেমন লাগলো, কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!